প্রকাশিত: ৫৮ মিনিট আগে, ০৯:৪১ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ প্রদেশে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনীর দাবি, এতে ২০০-এর বেশি হুথি যোদ্ধা নিহত ও আহত হয়েছেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিনভর প্রদেশটির বিভিন্ন রণাঙ্গনে সংঘর্ষের পাশাপাশি একাধিক বিমান হামলা চালানো হয়।
তাইজ সামরিক কমান্ডের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাইজ শহরের পশ্চিমে দুবাব ফ্রন্ট এবং দক্ষিণে আল-আকরুদ ও আল-শাকাব ফ্রন্টে বুধবার সকাল থেকে তীব্র লড়াই শুরু হয়। বিকালের দিকে সংঘর্ষের তীব্রতা আরও বাড়ে।
বিবৃতি অনুযায়ী, আল-মিসরাখ জেলার রাস আল-নাজদ এলাকায় হুথিদের ট্যাংক ও সামরিক যানবাহনের একটি বহর লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। এ ছাড়া বুধবার ভোরে তাইজ শহরের পূর্বাঞ্চলে সোফিতেল পাহাড়ের কাছে হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে দুটি বিমান হামলা হয়।
সেনাবাহিনী আরও জানায়, বুধবার রাতে দুবাব ফ্রন্টে একটি ট্যাংক ও একটি সামরিক যান লক্ষ্য করে আরও দুটি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। সরকারি বাহিনীর দাবি, দিনভরের সংঘর্ষ ও হামলায় একটি সামরিক যান ধ্বংস, দুটি ট্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত ও একটি ড্রোন ভূপাতিত হয়েছে। একই সঙ্গে সশস্ত্র যানবাহনের একটি বহরও ধ্বংস করা হয়েছে বলে তারা জানায়।
তবে হতাহতের সংখ্যা ও সামরিক ক্ষয়ক্ষতির এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। এ বিষয়ে হুথিদের পক্ষ থেকেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
চলতি মাসের শুরুতে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকা পুনর্দখলের লক্ষ্যে ‘ডন অব ইয়েমেন’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার। রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন এলাকা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত এ অভিযানে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সমর্থন দিচ্ছে।
অভিযান শুরুর পর দেশটির বিভিন্ন রণাঙ্গনে সংঘর্ষ বেড়েছে। বিশেষ করে তাইজে কৌশলগত অবস্থান ও সরবরাহপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের লড়াই তীব্র হয়েছে।
২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখল করে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। তখন থেকেই ইয়েমেনে সংঘাত চলছে। ২০১৫ সালে সরকারকে সমর্থন দিতে দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
মন্তব্য করুন