প্রকাশিত: ৭ ঘন্টা আগে, ১২:৫৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বাহিনীর যৌথ বোমাবর্ষণের পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবে এটি ছিল তেহরানের পক্ষ থেকে ষষ্ঠ দফার হামলা। এই অভিযানে ইসরাইল এবং অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় মার্কিন ঘাঁটিগুলো ছাড়াও ইসরাইলের তেল নোফ বিমান ঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত ইসরাইলি সেনাবাহিনীর প্রধান সদর দপ্তর ‘হাকিরিয়া’ এবং একই শহরের একটি বিশাল প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্স অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ইরান এই হামলাকে কেবল শুরু হিসেবে উল্লেখ করে সতর্ক করেছে যে তাদের বাহিনী ভবিষ্যতে আরও কঠোর এবং ভিন্নধর্মী প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, যা শত্রু পক্ষকে একের পর এক শোচনীয় আঘাতের সম্মুখীন করবে।
শনিবার থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। এর প্রতিশোধে ইরান এখন ষষ্ঠ দফা হামলা চালাচ্ছে।
আইআরজিসি বলছে, এটি ইরানের ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী আক্রমণ। ইরানের লক্ষ্য—ইসরাইল ও মার্কিন ঘাঁটি। পরিস্থিতি এখন চরম সংবেদনশীল। আন্তর্জাতিক মহল যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধের আশঙ্কা ক্রমশ বাড়ছে। ইরানের পক্ষ থেকে আরও বড় প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন