প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৫:২২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বলিউড ও দক্ষিণী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় তারকা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানার সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলমান আলোচনা-সমালোচনার বিষয়ে কথা বলেছেন অভিনেত্রী ও মনোবিদ সন্দীপ্তা সেন। তার মতে, সম্পর্কের সিদ্ধান্ত এবং ব্যক্তিগত অনুভূতি প্রকাশের ধরন একান্তই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়। দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের পারস্পরিক বোঝাপড়া নিয়ে বাইরের মানুষের অতিরিক্ত বিচার-বিশ্লেষণ কতটা প্রয়োজন, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
‘কফি উইথ করণ’-এর নবম সিজনের একটি পর্বে বিজয় ও রাশমিকার সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার সূত্র ধরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। সেখানে বিজয় জানিয়েছিলেন, রাশমিকার কাছ থেকে বারবার প্রেমের প্রস্তাব পাওয়ার পরও সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে তিনি সময় নিয়েছিলেন। এ বক্তব্য ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা মন্তব্য ও মিম ছড়িয়ে পড়ে।
সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন সন্দীপ্তা সেন। তার বক্তব্যে উঠে আসে, ব্যক্তিত্ব ও পরিস্থিতি অনুযায়ী মানুষ নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন। কেউ কোনো বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, আবার কেউ নীরব থাকতেই পছন্দ করেন। পেশা বা সামাজিক পরিচয় যা-ই হোক, ব্যক্তিগত বিষয়ে কে কতটা কথা বলবেন, তা তার নিজস্ব সিদ্ধান্ত।
রাশমিকা ও বিজয়ের সম্পর্কের বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার আরেকটি কারণ তাদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে দেওয়া ব্যাখ্যা। সম্পর্কের ক্ষেত্রে কে আগে প্রেমের প্রস্তাব দেবেন কিংবা কে সিদ্ধান্ত নিতে সময় নেবেন, তা দুজনের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। এ নিয়ে বাইরের মানুষের এত আলোচনা কতটা প্রয়োজন, সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে।
রাশমিকা নাকি বিজয়কে ১০০ বার প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, অথচ সম্পর্ককে বিয়ের দিকে এগিয়ে নিতে সময় নিয়েছিলেন বিজয়— এমন মন্তব্য ঘিরেও আগে আলোচনা তৈরি হয়েছিল। পরে তাদের দীর্ঘ ব্যাখ্যা প্রকাশ্যে আসার পর নতুন করে শুরু হয় নানা মন্তব্য ও বিশ্লেষণ।
সেলিব্রিটিদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি, ভিডিও কিংবা সাক্ষাৎকারের কয়েকটি বক্তব্য থেকেই নানা অনুমান তৈরি হয়। পর্দায় কোনো তারকা জুটিকে হাসিখুশি দেখালেই তাদের ব্যক্তিগত জীবনেও সবকিছু নিখুঁত— এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। একইভাবে কোনো সম্পর্কের প্রকাশ্য জটিলতা না থাকলেও সেটিকে নিখুঁত বলে ধরে নেওয়া যায় না।
সম্পর্কের স্থায়িত্ব বা গভীরতা কেবল বাইরের দৃশ্য দেখে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। কে কার সঙ্গে সম্পর্কে থাকবেন, কত দিন একসঙ্গে পথ চলবেন কিংবা নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কতটা কথা বলবেন— এসব সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট দুজন মানুষেরই।
সন্দীপ্তার বক্তব্যে মূলত তারকাদের ব্যক্তিগত পরিসরের প্রতি সম্মান দেখানোর বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। জনপ্রিয়তার কারণে কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবনে অযাচিত হস্তক্ষেপের সুযোগ তৈরি হওয়া উচিত নয়— এমন ভাবনাই তার আলোচনায় উঠে এসেছে।
মন্তব্য করুন