প্রকাশিত: ৭ ঘন্টা আগে, ১০:১৯ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
দেশজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাবে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা যাতে ভেঙে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক সেবা ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের যৌথ সভা ডেকেছে সংস্থাটি।
বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি তেলের তীব্র ঘাটতি এবং ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে মোবাইল টাওয়ার ও নেটওয়ার্ক সার্ভারগুলো সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে জেনারেটরের মাধ্যমে ব্যাকআপ পাওয়ার দিতে না পারায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে। এই সংকট মোকাবিলায় এবং গ্রাহকসেবা সচল রাখতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টেলিযোগাযোগ খাতে জ্বালানি সরবরাহের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি কার্যালয়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিতকরণ বিষয়ে প্রথম যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
মোবাইল অপারেটর এবং টাওয়ার অবকাঠামো পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ইতিমধ্যে বিটিআরসি’র কাছে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, ডাটা সেন্টার এবং কোর নেটওয়ার্ক সাইটগুলোর জন্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে বড় ধরনের ব্ল্যাকআউটের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
আজকের সভায় বিপিসি’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে টেলিকম টাওয়ারগুলোর জন্য জ্বালানি তেলের একটি বিশেষ কোটা বা সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সংকটের এই ক্রান্তিকালে ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখা রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছে বিটিআরসি। এর আগে বিটিআরসি’র পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে টেলিকম খাতের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহেরও অনুরোধ জানানো হয়েছিল। আজকের এই সমন্বয় সভার সিদ্ধান্তের ওপর দেশের মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবার আগামী দিনের স্থিতিশীলতা অনেকাংশে নির্ভর করছে।
মন্তব্য করুন