আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ১২:২৭ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

খামেনির ভাগ্নে মাহমুদ মোরাদকানি: চাচার মৃত্যুতে খুশি, আশার আলো দেখছি

খামেনির ভাগ্নে মাহমুদ মোরাদকানি(বামে)/ফাইল ছবি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রসঙ্গে নতুন আশার কথা বলেছেন তার ভাগ্নে মাহমুদ মোরাদকানি। ফ্রান্সে বসবাসকারী এই ৬২ বছর বয়সি চিকিৎসক ইরানের বর্তমান শাসনের বিরোধী।

 

ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলে নিজের বাড়ি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপিকে ফোনে তিনি বলেন,

“বেশিরভাগ ইরানির মতো আমিও খুশি। আলী খামেনির মৃত্যুর ঘটনায় আমি খুব খুশি। আমি মনে করি এটা এক ধাপ অগ্রগতি, এক আশা।”

 

তিনি আরও বলেন,

“যুদ্ধ ও সামরিক হস্তক্ষেপ রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে কিছুটা ধীর করে দেয়, এটা কিছুটা দুঃখজনক, তবে হয়তো আমাদের এই ধাপ পার হতে হতো।”

 

মোরাদকানি মনে করেন, খামেনির মৃত্যুর পর বর্তমান শাসনব্যবস্থা টিকে থাকা কঠিন হবে। তার ভাষায়,

“শাসনের ভেতরের দ্বন্দ্ব এমন পর্যায়ে আছে যে তারা তা সামাল দিতে পারবে না, শেষ পর্যন্ত তাদের সরে যেতে হবে এবং ক্ষমতা জনগণের হাতে দিতে হবে।”

 

তিনি আরও বলেন,

“আমি আশা করি সামরিক হস্তক্ষেপ বন্ধ হবে এবং মানুষ রাস্তায় নেমে নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারবে। এই পরিস্থিতিতে মানুষকে রাস্তায় নামতে, বিক্ষোভ করতে এবং শাসন উৎখাত করতে বলা খুবই কঠিন।”

 

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় শহীদ হন। এরপর থেকে ইরানে নেতৃত্ব সংকট দেখা দিয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন তিন সদস্যের কাউন্সিল সাময়িকভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

 

মাহমুদ মোরাদকানির এই বক্তব্য ইরানের বিরোধীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি ফ্রান্সে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ইরানের বর্তমান শাসনের বিরোধিতা করে আসছেন।

 

ইরানের অভ্যন্তরে এখনো অস্থিরতা বিরাজ করছে। আইআরজিসি প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহল যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাচ্ছে। মোরাদকানির এই বক্তব্যকে অনেকে ইরানের ভবিষ্যৎ রাজনীতির সম্ভাব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

মন্তব্য করুন