নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৪৮ মিনিট আগে, ০৫:০৭ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

হিন্দু সংগঠনের নামে অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজি —রহস্যে ঘেরা হিন্দু অধিকার আন্দোলনের নেত্রী সুস্মিতা কর

একজন হিন্দু ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসার কথা বলে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা ধার নেওয়ার পর সেই অর্থ ফেরত না দিয়ে উল্টো অপপ্রচার ও বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে এক নারী হিন্দু সংগঠক সুস্মিতা করের  বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি, সংশ্লিষ্ট নারী নিজেকে ছাত্রনেত্রী ও একটি সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বন্যাদুর্গত ও দরিদ্র হিন্দুদের সহায়তা বা হিন্দুদের অধিকার আন্দোলনের নামে অর্থ সংগ্রহ করে আসছেন।

ব্যবসায়ীর বক্তব্য মানবিক কারণে তিনি বিভিন্ন অংশে চিকিৎসার জন্য ২ লাখ ২০ হাজার টাকা ধার দেন। পরে টাকা ফেরত চাইলে সংশ্লিষ্ট নারী তা পরিশোধ না করে উল্টো তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার শুরু করেন এবং বিয়ের জন্য নানা ধরনের চাপ ও টাকা ফেরত না দেওয়ার কৌশল হিসেবে আত্মহত্যার হুমকি দিচ্ছেন।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী জানান,প্রয়োজনে তিনি ধার দেওয়া বিষয়ে প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করতে প্রস্তুত।

এ বিষয়ে নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে সুস্মিতা করকে ফোনে প্রশ্ন করা হয়েছিল,আপনি কি ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী পল্টন দাসের সাথে ঢাকার বাহিরে নদী পথে কোথাও অঙ্গীকার অথবা কোন বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন?উত্তরে=সুস্মিতা কর জানান তিনি সাঁতার জানেন না,নদীতে যাওয়ার প্রশ্ন আসে না।এছাড়া একাধিক মিথ্যার আশ্রয় নেন,এবং তথ্য প্রমান ও ভিডিও ফুটেজ সামনে আসলে পরবর্তীতে উনি তা আংশিক স্বীকার করেন।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী পল্টন দাসের সাথে কথা বললে তিনি জানান সুস্মিতা কর বিভিন্ন হিন্দু অসহায় ব্যক্তিবর্গের নাম করে আমার কাছ থেকে প্রায়ই টাকা নিতেন এবং কিছু কিছু সহযোগিতা নেয়ার জন্য সুস্মিতা কর ইমোশনাল এবং আত্মহত্যা জনিত স্পর্শকাতরতার কথা উল্লেখ করতেন,আমি তাকে বিশ্বাস করে ঐ সব সহযোগিতা নিঃস্বার্থভাবে করেছি।

কিন্তু সুস্মিতা কর এজমা ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যা আমাকে জানালে একটা হিন্দু সংগঠনের নেত্রী বিবেচনা করে তার সুস্থতার জন্য আমার সরল বিশ্বাসে আমার ব্যক্তিগত ও প্রতিষ্ঠানিক হিসাব পরিচালনাধীন ব্যাংকে গিয়ে এবং ফেরার পথে ধর্মীয় অঙ্গীকার ও রীতি রেওয়াজ অনুসরণ করে সুস্মিতা কর ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ধার বা হওলাত নিয়েছে,সেটা আমাকে ফেরত দিতে হবে,প্রয়োজনে আমি সেটা আদায়ের জন্য আদালতের আশ্রয় গ্রহণ করব।
তবে সুস্মিতা করের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বিষয়টি তিনি জানান-সে বিবাহিত,তার তিনটি সন্তান রয়েছে, এছাড়া সুস্মিতা কর স্বঘোষিত শারীরিকভাবে আনফিট, এবং সে বিয়ের কোন স্টেজে নেই।টাকা ফেরত না দেওয়ার জন্য বিয়ের বিষয়টা তার কৌশল।

সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলনের আরো কিছু ছাত্রদের সাথে আলাপকালে তথ্য পাওয়া যায় সুস্মিতা করের সাথে বর্তমানে কোন ছাত্র সদস্য নেই।তিনি কোন ছাত্র নন। সকল প্রকার প্রতারণা এবং হিন্দু সংগঠনের আত্মমর্যাদা রক্ষায় বিষয়টি তদন্তের দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা।

মন্তব্য করুন