প্রকাশিত: ৪২ মিনিট আগে, ১০:৪০ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
দেশের মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা জারি করেছে সরকার। এই নীতিমালার আওতায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য নিয়মিত মাসিক সম্মানী, উৎসব ভাতা এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য সম্মানী ও কল্যাণ সহায়তা প্রদান নীতিমালা ২০২৬’ শীর্ষক প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার, সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় উপাসনালয়গুলোতে কর্মরত ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁদের এ অবদানকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
নতুন নীতিমালার আওতায় মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পুরোহিত ও সেবকদের নিয়মিত সম্মানী দেওয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসবে বিশেষ ভাতা প্রদান করা হবে। এর ফলে উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ তৈরি হবে।
আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি নীতিমালায় সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও বিকল্প উপার্জনের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সরকারের ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হলো।
সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের আর্থিক অনিশ্চয়তা দূর হবে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন