অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ০৪:৩১ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

শিক্ষার্থীদের ক্লাশে ফেরাতে উপবৃত্তি নিয়ে যে বার্তা প্রতিমন্ত্রীর

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রথমত বৃত্তি পরীক্ষা হলো শিক্ষার্থীদের এবং তাদের পরিবারকে উৎসাহিত করার জন্য পাঠ্যক্রমের প্রতি। এই উৎসাহিত করার কোনো প্রসেস আমরা বাদ দিতে চাই না। তার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে যে পরীক্ষাটা দেওয়ার কথা ছিল তারা কোনো কারণে দিতে পারেননি, সেটা আমরা চালু রেখেছি, আমরা পরীক্ষা দিয়েছি। 

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর বাদশাহ ফয়সল ইনস্টিটিউটে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মেইন পয়েন্ট, বৃত্তি পরীক্ষা হলো উৎসাহিত করা। আমরা যত বেশি দেব এবং আগামী দিনগুলোতে আমরা এই যে যত সংখ্যক শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পরীক্ষার ভেতরে আমরা আনতে পারি এটা বাড়াতে চেষ্টা করব। বৃত্তির যে অ্যামাউন্ট আমরা দিচ্ছি যে ফিন্যান্সিয়াল স্টাইপেন্ড বা ইনসেনটিভটা আমরা দিচ্ছি এই ফিন্যান্সিয়াল ইনসেনটিভের সাইজ আমরা বাড়াব।’

আমরা চাই শিক্ষার্থীদের পরিবারকে উৎসাহিত করতে তারা যেন ক্লাশরুমে আসে, তারা যেন শিক্ষাক্রমের সঙ্গে থাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটার জন্য যা যা করণীয় আমরা সবকিছু করব, করতে চেষ্টা করব। এটার জন্য আমরা গার্ডিয়ানদের সঙ্গেও কথা বলব। আপনারা যারা গণমাধ্যমে আমার ভাই ও বোনরা আছেন যারা স্পেশালি শিক্ষা কাভার করেন তাদের কাছ থেকেও আমরা জানতে চাই যে আমরা আপনারা বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী জানলেন, কী কী ভাবে আমরা শিক্ষার্থীদের এবং পরিবারবর্গকে উৎসাহিত করতে পারি আমাদের শিক্ষার্থীদের ক্লাশরুমে রাখার, নিয়ে আসার জন্য।’

উপবৃত্তির প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘আমি আরও পরিষ্কার করলাম যে, এই যে ফিন্যান্সিয়াল ইনসেনটিভগুলো আমরা এখানেও মডার্নাইজেশন আনব। মানে যেটা এখন বেশি সেনসিবল। এগেইন মেইন লক্ষ্য একটা- সব শিক্ষার্থীকে ক্লাশরুমে নিয়ে আসা। এটার জন্য পরিবারকে যদি ফিন্যান্সিয়াল ইনসেনটিভ দিতে হয় কীভাবে সেই ফিন্যান্সিয়াল ইনসেনটিভটা সবচেয়ে ইফেক্টিভ কার্যকরী হতে পারে সেটা নিয়ে আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু করেছি।’

তিনি বলেন, ‘মিডিয়ার ভাই-বোনেরা স্পেশালি যারা শিক্ষা বিট কাভার করেন তাদের ফিডব্যাকও আমরা চাই। আমরা ওই জায়গাটাতে যাব। এখন পাঁচ টাকা আছে ১২৫ টাকা আছে এটা বড় প্রশ্ন না। আগামীতে কী হওয়া উচিত এইটা আপনাদের কাছ থেকে জানতে চাই, সো দ্যাট আগামী নীতিমালাগুলোতে আমরা সেভাবে বদলগুলো আনব।’

মন্তব্য করুন