তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ০৩:৩৩ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্তে চূড়ান্ত ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের: আইনমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

ডিজিটাল বিচারব্যবস্থা গড়ে তুলতে ‘ই-জুডিশিয়ারি’ শীর্ষক একটি প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী। কমিশনের দেওয়া পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে বর্তমানে ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) পুনর্গঠনের কাজ চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “মামলা দায়েরের সময় এজাহারে অভিযুক্তের দলীয় পরিচয় উল্লেখ থাকে না। ফলে কোন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কতগুলো হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ভুয়া মামলাগুলির মধ্যে কত সংখ্যক মামলা তদন্তে বা আদালতের রায়ে মিথ্যা/ভিত্তিহীন হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে, তার সঠিক পরিসংখ্যান নিরূপণ করা সম্ভব নয় এবং এ সংক্রান্ত পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই।”
সরকার দলীয় এমপি মনোয়ার হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, “বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের বিষয়ে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ সচেতন এবং এ লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মামলা প্রত্যাহারের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছিল। ওই কমিটির নীতিগত সিদ্ধান্ত কোন হত্যা মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি। রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে বর্তমান সরকার কমিটি গঠন করেছে। রাজনৈতিক মামলা মামলাগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রত্যাহারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।” 

এমপি রফিকুল ইসলামের প্রশ্নের উত্তরে মামলা নিষ্পত্তির সময়সীমা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, “দেওয়ানী ও ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তিতে গড়ে কত সময় লাগে তা নিয়ে কোন সমীক্ষা হয়নি। এ সংক্রান্ত কোন তথ্য সরকারের কাছে নেই। ফৌজদারি দণ্ডবিধি অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৮০ দিন ও দায়রা আদালতে ৩৬০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির বিধান আছে। দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তির কোন সময়সীমা না থাকলেও কিছু গাইডলাইন রয়েছে। মামলার প্রকৃতি ও জটিলতা ভেদে কোনো মামলা এক বছরে নিষ্পত্তি হতে পারে। আবার কোন মামলায় ৫ বছর বা তার থেকে বেশি সময় লাগতে পারে।”

মন্তব্য করুন