প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ১২:৩৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বঙ্গোপসাগরে ‘অর্ণব’ নামে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। সোমবার (২৬ অক্টোবর) নিজের যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।
পোস্টে গবেষক লিখেছেন, মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি গত ২৪ ঘণ্টায় শক্তিশালী হয়ে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী পরিচালিত জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টারের সর্বশেষ তথ্যের বরাতে তিনি ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘অর্ণব’ বলে উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নামটি আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল এবং প্রস্তাব করেছিল বাংলাদেশ।
মোস্তফা কামাল পলাশের পোস্ট অনুযায়ী, ২৬ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টায় ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র ছিল প্রায় ১৬ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৮৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। নাসার জিপিএম ও জাপানের হিমাওয়ারি-৯ উপগ্রহের চিত্র বিশ্লেষণের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড়টির চারপাশে বাতাসের গড় গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ৬৫ কিলোমিটার। দমকা হাওয়ায় তা ঘণ্টায় প্রায় ৮৩ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠেছে বলে তিনি দাবি করেন।
গবেষকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি ২৬ অক্টোবর সন্ধ্যার পর থেকে রাতের মধ্যে সর্বোচ্চ শক্তি অর্জন করতে পারে। এ সময় এটি অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার গতিতে বাতাস সৃষ্টি করতে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।
পোস্টে আরও বলা হয়েছে, ২৮ অক্টোবর সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওডিশা রাজ্যের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন