প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ০৯:৪২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে একদিনে নয়জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) জামালপুর, পটুয়াখালী, ময়মনসিংহ, রাজবাড়ী, রংপুর, শরীয়তপুর ও বরগুনা জেলায় পৃথক ঘটনায় এসব মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, জামালপুরে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। সকালে ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ও সাপধরী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা হলেন, মো. শামীম মিয়া (৩৭) ও সাগর ইসলাম (১৮)। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, শামীম নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। অন্যদিকে সড়ক নির্মাণকাজ চলাকালে বজ্রপাতে সাগর ইসলামের মৃত্যু হয়।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দুপুরে বজ্রপাতে জহির চৌকিদার (২৮) ও সেতারা বেগম (৫৫) মারা যান। জহির ক্ষেতের পানি নিষ্কাশনের কাজ করছিলেন, আর সেতারা বেগম গরু নিয়ে মাঠে যাওয়ার পথে বজ্রপাতের শিকার হন। দুজনকেই হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নে সুমন মণ্ডল (৩৫) নামে এক যুবক বজ্রপাতে নিহত হন। সকালে শিশুসন্তানকে কোলে নিয়ে দোকানে যাওয়ার সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তার কোলে থাকা শিশুটি ছিটকে পড়ে গেলেও বেঁচে যায়।
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে সাহেরা বেগম (৪০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। একই দিনে ময়মনসিংহের তারাকান্দায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন সাদ্দাম হোসেন (৩২)। এ ঘটনায় থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় কীর্তিনাশা নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে মারা যান রাজিব শেখ (৩২)। হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে মারা যান। স্থানীয়রা তার মরদেহ উদ্ধার করে নদীর তীরে নিয়ে আসেন।
অন্যদিকে বরগুনার আমতলীতে বজ্রপাতে নুর জামাল (৫৪) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
একই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতের ঘটনায় এভাবে প্রাণহানির ঘটনা আবারও উদ্বেগ বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন