বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ ঘন্টা আগে, ১২:৫৫ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

তবে জেসিই কি হবেন এবারের সেরা অভিনেত্রী

জেসি বাকলি । ছবি সংগৃহীত

পুরস্কার মৌসুম শুরুর পর থেকেই আলোচনায় আছেন জেসি বাকলি। ক্লোয়ি ঝাওয়ের সিনেমা ‘হ্যামনেট’–এ অভিনয় করে তিনি ইতিমধ্যেই গোল্ডেন গ্লোব, বাফটা, ক্রিটিকস চয়েজ এবং সম্প্রতি অ্যাক্টর অ্যাওয়ার্ডসে সেরা অভিনেত্রীর খেতাব অর্জন করেছেন। এখন শুধু বাকি রইল অস্কার। সমালোচকেরা মনে করছেন, এই ফর্মে অস্কারে সেরা অভিনেত্রী হওয়াটা জেসির জন্য সময়ের ব্যাপার মাত্র।

অ্যাক্টর অ্যাওয়ার্ডসে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার গ্রহণ করতে গিয়ে জেসি বলেন, তিনি শিল্পী সমাজের অংশ হতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন। মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি তাঁর সহ-অভিনেত্রী এমিলি ওয়াটসনকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান।

কে এই জেসি?

দুই দশকের বেশি সময় ধরে সিনেমা ও মঞ্চে কাজ করছেন জেসি। শুধু অভিনয় নয়, গানেও তিনি দক্ষ। ২০০১ সালে রয়্যাল আইরিশ একাডেমি অব মিউজিকের ‘হাই অ্যাচিভার’ অ্যাওয়ার্ড পান। ১৭ বছর বয়সে বিবিসির প্রতিযোগিতা ‘আই উড ডু এনিথিং’–এ অংশ নিয়ে পরিচিতি পান। এরপর ভর্তি হন লন্ডনের রয়্যাল একাডেমি অব ড্রামাটিক আর্টে।

অভিনয়ে স্নাতক শেষ করে তিনি যুক্ত হন টিভি সিরিজে। ‘ট্যাবু’, ‘ফার্গো’, ‘চেরনোবিল’–এর মতো সিরিজে তাকে দেখা গেছে। মঞ্চে জুড লরের সঙ্গে করেছেন ‘হেনরি দ্য ফিফথ’। ২০২২ সালে ‘জেসি দ্য লস্ট ডটার’ সিনেমার জন্য অস্কারে মনোনীত হন, তখন তিনি এখনকার মতো বৈশ্বিক তারকা হয়ে ওঠেননি।

‘হ্যামনেট’-এর গল্প

সমালোচকরা বলেছেন, ‘হ্যামনেট’ ছবিতে জেসি শোককে এমনভাবে ফুটিয়েছেন যা আগে পর্দায় দেখা যায়নি। তিনি উইলিয়াম শেক্‌সপিয়ারের স্ত্রী অ্যাগনেস হ্যাথাওয়ের চরিত্রে পুরোপুরি বিলীন হয়েছেন। শুটিং শুরুর আগে তিনি চরিত্রের মধ্যে প্রবেশের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানান, “আমি আলাদা কিছু করিনি। গান ও অভিনয়ের মধ্যে বড় হওয়ার কারণে চরিত্রের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বুঝতে পেরেছি।”

তিনি আরও বলেন, “শোকে বিহ্বল এক মায়ের গল্প। শুটিংয়ের পর ধীরে ধীরে সেই শোক আমার ভেতরে প্রবেশ করেছে। শুরুতে যে ভয় ছিল, সেটাও কেটে গেছে। এই সিনেমার অংশ হয়ে আমি সত্যিই গর্বিত।”

 

পুরস্কার মৌসুমের সাফল্যের পর বিবিসি রেডিও ৪–এর ‘ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্ক’ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে জেসি কিশোর বয়সে মানসিক অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই নিয়েও খোলাখুলি আলোচনা করেছেন। ৩৬ বছর বয়সী অভিনেত্রী বলেন, “অভিনয় আমার কাছে পানির মতো অপরিহার্য। শিল্পই আমাকে বাজে খাদ্যাভ্যাস ও বিষণ্নতা কাটাতে সাহায্য করেছে। না হলে গান, থিয়েটার, কিছুই করা সম্ভব হতো না। আর এসব করতে না পারলে বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে যেত।”

 

মন্তব্য করুন