লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ আগষ্ট, ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

বিয়ে করার সঠিক বয়স কোনটি

বিয়ের উপযুক্ত সময় বা নির্দিষ্ট কোনো বয়স নিয়ে বিজ্ঞান একক বা বাধ্যবাধকতামূলক কোনো নিয়ম বেঁধে না দিলেও গাণিতিক সমীকরণ, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনায় এ বিষয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ের আদর্শ বয়স হতে পারে ২৬, বিশের দশকের শেষভাগ কিংবা ত্রিশের শুরুর দিক।

বিজ্ঞান ও গণিতের বিচারে বিয়ের অন্যতম উপযুক্ত বয়স হিসেবে ২৬ বছরকে নির্দেশ করা হয়েছে। কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও মনস্তত্ত্ববিদদের রচিত ‘অ্যালগরিদমস টু লিভ বাই’ গ্রন্থে উল্লেখিত ‘৩৭ শতাংশ নিয়ম’ অনুযায়ী, জীবনের কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ৩৭ শতাংশ বিকল্প যাচাই করার পর গৃহীত পদক্ষেপটি সবচেয়ে সঠিক হয়। জীবনসঙ্গী খোঁজার প্রধান সময় যদি ১৮ থেকে ৪০ বছর হয়, তবে এর ৩৭ শতাংশ অতিবাহিত হয় ২৬ বছর বয়সে। গবেষকদের অভিমত, এই বয়সে পৌঁছালে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো পর্যালোচনামূলক অভিজ্ঞতা তৈরি হয় এবং অতিরিক্ত বিচারে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগার আশঙ্কাও কমে আসে।

অন্যদিকে মনোবিজ্ঞানীদের বিশ্লেষণে বিয়ের উপযুক্ত সময় হলো বিশের দশকের শেষভাগ, অর্থাৎ ২৮ বা ২৯ বছর। মানুষের মস্তিষ্কের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী অংশ ২৫ বছরের আগে পুরোপুরি বিকশিত হয় না। তাই এই বয়সের আগে বিয়ে না করে জীবনের চাপ সামলানোর অভিজ্ঞতা অর্জন করাকে তাঁরা জরুরি মনে করেন। অপরদিকে সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীদের জন্য ২৮ এবং পুরুষদের জন্য ৩২ বছর বয়সে বিয়ে করা সবচেয়ে কার্যকর। এই সময়ে নারীদের ক্যারিয়ার ও জীবন নিয়ে স্পষ্ট ধারণা জন্মায় এবং পুরুষেরা ক্যারিয়ারে স্থায়িত্ব অর্জনের মাধ্যমে সংসার ও সন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে পরিপক্ব হন।

তবে গাণিতিক কিংবা পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণ যা-ই বলুক না কেন, সুখী ও সফল দাম্পত্য জীবনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো একক বয়সসীমা নেই। কোনো নির্দিষ্ট বয়সে পৌঁছানোর চেয়ে মানসিক প্রস্তুতি, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং দায়িত্ব পালনের সক্ষমতাই বিবাহের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।

মন্তব্য করুন