তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৩ ঘন্টা আগে, ০৯:৫১ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে প্রবল বেগে আঘাত হানতে শুরু করেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। ভারতের আবহাওয়া বিভাগের (আইএমডি) তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সোমবার মধ্যরাতে প্রকাশম জেলার ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগ অতিক্রমের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

দেশটির আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, সোমবার দিনগত রাত ১টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আছড়ে পড়ে। এর প্রভাবে অন্ধ্র প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইছে।

আইএমডির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ভারতীয় সময় রাত ১টার দিকে ঘূর্ণিঝড়ের স্থলভাগ অতিক্রমের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের মেঘমালার সামনের অংশ ইতোমধ্যে উপকূলে প্রবেশ করেছে এবং পেছনের অংশটি উপকূলের খুবই কাছাকাছি অবস্থান করছে।’

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অন্ধ্র প্রদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ১টা ৩০ মিনিটে ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলের কাছে অবস্থান করছিল।

সে সময় ঘূর্ণিঝড়টি ওঙ্গোল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, কাভালি থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং বাপাতলা থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে ছিল।

আইএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, নেলোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি পুরোপুরি স্থলভাগ অতিক্রম করবে। সকাল পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আগামী ১২ ঘণ্টা দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর।

এ ছাড়া স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে প্রায় ১ থেকে ১ দশমিক ৫ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে বুধবার সকাল পর্যন্ত দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলীয় নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হতে পারে। বিশেষ করে বাপাতলা, কৃষ্ণা ও প্রকাশম জেলায় জলোচ্ছ্বাসের প্রভাব বেশি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া বিভাগ।

 

মন্তব্য করুন