প্রকাশিত: ১৮ মার্চ, ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ইসরায়েলি হামলায় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি নিহত হওয়ার ঘটনায় দেশটির নীতিনির্ধারণী মহলে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। গত সোমবারের এ হামলার পর তাঁর শূন্যস্থান পূরণ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারকদের একজন হিসেবে পরিচিত লারিজানি আন্তর্জাতিক পর্যায় ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সমন্বয় রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন। ফলে তাঁর অনুপস্থিতিতে সেই ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান নতুন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিয়োগের ক্ষমতা রাখেন। তবে ইতোমধ্যে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে সাঈদ জালিলি-এর নাম সামনে আসছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণত সর্বোচ্চ নেতার ঘনিষ্ঠদের মধ্য থেকেই এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। সেই বিবেচনায় লারিজানির মৃত্যুর পর জালিলিকে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জালিলি। পাশাপাশি তিনি ইরানের প্রধান পরমাণু আলোচক হিসেবেও কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি দেশটির উচ্চপর্যায়ের নীতি নির্ধারণী সংস্থা ‘এক্সপেডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিল’-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ইয়েল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক, ইতিহাসবিদ ও ইরান–বিষয়ক বিশ্লেষক আরশ আজিজি বলেন, ‘জালিলি একজন কট্টরপন্থী নেতা। তিনি ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার সবচেয়ে কট্টর পশ্চিমাবিরোধী অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।’
মন্তব্য করুন