তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ১৩ ঘন্টা আগে, ০২:৩৬ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

প্রাথমিক থেকে ধর্মীয় শিক্ষার সকল স্তরে নতুন প্রকল্প

দেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে বিএনপি সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী বলেন, “নিয়োগের যোগ্যতা ও সনদ নিয়ে একটি জটিলতা রয়েছে। আশা করছি, এটি কাটিয়ে শিগগিরই আমরা এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সক্ষম হব। এক্ষেত্রে কারিআনা পাশধারীদের নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে। ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মকে প্রাধান্য নিয়ে আমরা কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।”

এছাড়া তিনি জানান, ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলোকে সরকারের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে এবং ইবতেদায়ী ও কওমী শিক্ষাসহ সব শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমন্বিত শিক্ষা পদ্ধতির আওতায় আনার পরিকল্পনা চলছে।

শিক্ষামন্ত্রী এও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে মোট পাঁচটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (ডিইপিডি-৪), জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৬ পর্যন্ত।

  • চাহিদাভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্প (প্রথম পর্যায়), জুলাই ২০১৬ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত।

  • ঢাকা মহানগর ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, জানুয়ারি ২০২০ থেকে জুন ২০২৭ পর্যন্ত।

  • কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায় এবং নোয়াখালীর ভাসানচরে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প, জুলাই ২০২৪ থেকে জুন ২০২৭ পর্যন্ত।

  • স্কুল ফিডিং কর্মসূচি, ১৫০টি উপজেলায়, জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত।

এছাড়া দেশের ৫৮টি জেলায় কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ (প্রাক-বৃত্তিমূলক স্তর) এবং ৬৪টি জেলায় স্কুলবহির্ভূত শিশুদের জন্য বিকল্প শিক্ষা কার্যক্রম (এএলও) বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, স্কুলবহির্ভূত শিশুদের বিকল্প শিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পেয়েছে এবং এটি জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে।

মন্তব্য করুন